কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে মাছ শিকারে গিয়ে আরাকান আর্মির গুলিতে মো. আয়ুব (২৮) নামে এক রোহিঙ্গা জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তিনি উখিয়ার এফডিএমএন ক্যাম্প-১৪ এর ব্লক-৪ এর বাসিন্দা মৃত কালা মিয়ার ছেলে।
- পর্দায় নতুন জুটি, আসছে ‘মায়াময়ী’
- * * * *
- মানুষের জন্য তৈরি হলো ফ্রিজ, ১০ মিনিটেই শরীর ঠান্ডা
- * * * *
- স্ত্রী মোহনাকে মারধরের মামলায় প্রিন্স মামুন কারাগারে
- * * * *
- জীবনে এমন অনেক মুহূর্ত এসেছে মনে হয়েছিল সবকিছু হয়তো এখানেই শেষ: বাঁধন
- * * * *
- ছেলেকে টিফিন দিয়ে ফেরার পথে নিখোঁজ, ডোবায় মিলল মরদেহ
- * * * *
আরাকান আর্মি
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সাবরাং নয়াপাড়া ও শাহপরীর দ্বীপ সংলগ্ন নাফ নদী থেকে পুনরায় ৭ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি।
আগামী ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ রাখাইন রাজ্যের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি।
মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) হাতে অপহৃত কক্সবাজারের টেকনাফের ১৪ জেলে অবশেষে ফিরে এসেছেন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাত প্রায় ১০টার দিকে তারা তিনটি মাছ ধরার নৌকাসহ শাহপরীর দ্বীপের পশ্চিম সৈকতে পৌঁছান।
মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী ‘আরাকান আর্মি’র (এএ) সদস্যরা কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদের মোহনা থেকে তিনটি মাছ ধরার ট্রলারসহ ১৩ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে।
কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ সংলগ্ন নাফ নদীর মোহনা থেকে মাছ ধরার সময় দুইটি নৌকাসহ সাতজন জেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে উপজেলার শাহপরীর দ্বীপ নাইক্ষ্যংদিয়া সংলগ্ন নাফ নদী এলাকা থেকে ওই জেলেদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়।
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সময় আরাকান আর্মির ৩ সদস্যকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদে মাছ ধরার সময় ছয় জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মায়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী সংগঠন আরাকান আর্মি। এ সময় জেলেদের ব্যবহৃত হস্তচালিত পাঁচটি কাঠের নৌকাও আটক করা হয়। গতকাল শুক্রবার বিকেলে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ঝিমংখালীসংলগ্ন নাফ নদ থেকে তাঁদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়।
সাগরে মাছ ধরা শেষে ফেরার পথে কক্সবাজারের টেকনাফের একটি ট্রলারসহ ৬ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মায়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) সদস্যরা।